মোহনবাগানে ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত এই তিন মিনার্ভা তারকার। জানতে পড়ুন।


বেঙ্গল ফুটবল নিউজ ডেস্ক২৭ জুলাই, ২০১৮

        মোহনবাগানে কার্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়লো এই মরশুমে মোহনবাগানে সই করা মিনার্ভার তিন তারকা ফুটবলারের ভবিষ্যৎ। গত মরশুমে আই লিগে নজরকাড়া পারফরম্যান্স করে এই মরশুমে মোহনবাগানে সই করেছিলেন মিনার্ভার সুখদেব সিং, গুরজিন্দর কুমার এবং অভিষেক আম্বেদকর। সুখদেব সিং এর নিকট সেসময় ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তাব থাকলেও তিনি সই করেন মোহনবাগানে। তবে এখন যা পরিস্থিতি তাতে বলা যায় যে বাগান শিবিরে প্রায় অনিশ্চিতই হয়ে পড়লো এই ফুটবলারদের ভবিষ্যৎ।


     কলকাতা লিগ দোরগোড়ায় এসে উপস্থিত। এহেন অবস্থায় যখন সমস্ত বড়ো দলগুলো তাদের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত, তখন বাগানের এই তিন ফুটবলার আদৌ সি এফ এলো-এ সবুজ মেরুন জার্সি জড়িয়ে ময়দানে নামতে পারবেন কীনা তা নিয়েই তৈরী হয়েছে সন্দেহ।




         সমস্যাটি মিনার্ভার ট্র্যান্সফার ফি নিয়ে। এই মরশুমে মিনার্ভার খেলোয়ারদের যে সমস্ত ক্লাব গুলো সই করিয়েছে তাদের প্রত্যেকেই মিনার্ভাকে দিতে হয়েছে প্লেয়ারদের ট্র্যান্সফার ফি। সেইমতো মোহনবাগান মিনার্ভার তিন ফুটবলার সুখদেব সিং, গুরজিন্দর কুমার এবং অভিষেক আম্বেদকরকে সই করানোয় এই তিন প্লেয়ারের ট্র্যান্সফার ফি বাবদ প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা মিনার্ভাকে দেওয়ার কথা ছিল বাগান শিবিরের। কিন্তু যে কারণেই হোকনা কেন এখনও সেই ট্র্যান্সফার ফি বাগান শিবির থেকে পৌঁছায়নি মিনার্ভার ঘরে। আর মিনার্ভার শর্তানুযায়ী ট্র্যান্সফার ফি না দেওয়া পর্যন্ত এই প্লেয়ারদের এন ও সি-ও পাওয়া যাবেনা, যেটি ছাড়া মোহনবাগানের হয়ে কোনো ম্যাচেই নামতে পারবেননা এই তিন প্লেয়ার। ফলস্বরূপ এই তিন প্লেয়ার আদৌ আসন্ন সি এফ এল-এ যোগদান দিতে পারবেন কীনা তা নিয়ে তৈরী হয়েছে ধোঁয়াশা।


        এই প্রসঙ্গে মোহনবাগান কর্তাদের প্রশ্ন করা হলে তাঁরা জানান যে মিনার্ভা কর্তৃপক্ষ তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বরই এখনও পাঠাননি সবুজ মেরুন শিবিরে, যার ফলেই ট্র্যান্সফার ফি দিতে অসুবিধে হচ্ছে মোহনবাগানের। মোহনবাগানে তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত এই  প্লেয়াররা মিনার্ভার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বললে মিনার্ভা কর্তারা তাদের জানান যে, মোহনবাগানের ট্র্যান্সফার ফি-এর অপেক্ষাতেই রয়েছেন তাঁরা। যেদিন ট্র্যান্সফার ফি মিনার্ভা পেয়ে যাবে সেদিনই এন ও সি দিয়ে দেওয়া হবে এই তিন ফুটবলারকে।


           শেষে বলা যায় যে বাগান কর্তারা যে কারণ দেখালেন তা নিয়ে কিছুটা হলেও ধোঁয়াশা রয়েই যায়, কারণ ইস্টবেঙ্গলও এই মরশুমে সই করিয়েছিল মিনার্ভার খেলোয়ারদের, এবং সেখানে কোনো প্রকার অসুবিধে ছাড়াই ট্র্যান্সফার ফি-এর বদলে এন ও সি পেয়ে যান ফুটবলাররা। তাই বলা যায় যে বাগান কর্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর না পাওয়ার বক্তব্যটি নিয়ে এখনই পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

No comments